যেখানে ধানক্ষেত মিশে যায় আকাশে। এক গ্রামের জীবন্ত দলিল — তার মানুষ, তার ঋতু, আর যে মসজিদ-ফান্ড নিঃশব্দে সবাইকে বেঁধে রাখে।
বেণীমাধব নদীর এক বাঁকে, ধানক্ষেতের চাদরে মোড়া — গ্রামবাসী যাকে বলে আইল, সেই উঁচু মাটির পথে বোনা। সকাল শুরু হয় জামে মসজিদের আজান আর ভেজা মাটির গন্ধে; সন্ধ্যা মেলায় ঘরে ফেরা গরু আর উঠানে উঠানে জ্বলে ওঠা বাতিতে।
এটি বিখ্যাত কোনো গ্রাম নয়। দেখতে আসার মতো কোনো সৌধ এখানে নেই। যা আছে তা হলো ধারাবাহিকতা — প্রজন্মের পর প্রজন্ম একই জমি চষেছে, একই পুকুরের জল নিয়েছে, বন্যা আর ফসলের দিনে একে অপরকে আগলে রেখেছে।
— গ্রাম কমিটির লেখা; যারা চলে গেছে আর যারা রয়ে গেছে, সবার জন্য।
বেণীমাধবে দুটি ফান্ড। মসজিদ ফান্ড দেখে জামে মসজিদ ও তার ধর্মীয় জীবন; সামাজিক ফান্ড পাশে দাঁড়ায় অসুস্থতা, শোক বা দুঃসময়ে পড়া পরিবারের। দুটিই সংগ্রহ হয় খোলাখুলিভাবে, আর জুমার পর হিসাব পড়ে শোনানো হয়।